বিদেশ ফেরত ৫ লাখ যাত্রীকে স্ক্রিনিং করা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রজন্ম ডেস্ক

গত ২১ জানুয়ারি থেকে ৯ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত বিদেশ ফেরত পাঁচ লাখেরও বেশি যাত্রীকে স্ক্রিনিং করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সোমবার (০৯ মার্চ) বিকেল ৪টায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে  ‘করোনাভাইরাস সংক্রান্ত বিষয়’-এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

এর আগে বিকেল ৩টায় একই স্থানে এ বিষয়ে সিনিয়র সচিব/সচিব পর্যায়ের একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত ২১ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শুধুমাত্র চীনফেরত যাত্রীদের স্ক্রিনিং করা হয়। তবে ৭ ফেব্রুয়ারির পর ৯ মার্চ পর্যন্ত বিদেশ ফেরত সব যাত্রীদের ডিজিটাল থার্মোমিটার দিয়ে স্ক্রিনিং করা হচ্ছে। যাত্রীদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পরিবহনে কর্মরতদেরও একই প্রক্রিয়া দিয়ে যেতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সন্দেহজনক মোট ১২০ জনকে পরীক্ষা করা হয়েছে। যার মধ্যে তিনজনকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন। আক্রান্ত একজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৪৮ জনকে বাড়িতে কোয়ারেন্টাইন অবস্থায় রাখা হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে আছেন একজন।  আর দুইজনকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

কোভিড-১৯ সংক্রান্ত আমাদের স্বাস্থ্যখাতের হট লাইনগুলোতে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৯৩২টি কল এসেছে, যোগ করেন তিনি।

জাহিদ মালেক বলেন, উপজেলা পর্যায়ে নির্বাহী কর্মকর্তাকে সভাপতি এবং ওসিসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ১০ সদস্যের কমিটি, জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনসহ ১১ সদস্যের আরো একটি কমিটি এবং আমি (স্বাস্থ্যমন্ত্রী) নিজে সভাপতি হয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্যসচিব, অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সিনিয়র সচিব, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধিসহ ৩১ সদস্যের একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিগুলো যখন যেখানে যে যে উদ্যোগ প্রয়োজন তা দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হবে।

মন্তব্য