চুলা না কিনলে ১০ টাকা কেজির চাল দিচ্ছে না ডিলার

প্রজন্ম ডেস্ক

খুলনার দিঘলিয়ায় উপজেলায় হতদরিদ্রদের জন্য ১০ টাকা কেজি দরের চালের সঙ্গে ৬শ টাকা মূল্যের বন্ধু চুলা কিনতে ক্রেতাকে বাধ্য করছেন দুইজন ডিলার।

শুধু তাই নয়, ওজনে কম দেয়া, কার্ডধারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও বাইরের পণ্যও বিক্রি করছেন তারা।

অভিযোগে জানা যায়, খাদ্য বিভাগ দিঘলিয়া সদর ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের জন্য স্বল্পমূল্যে খাদ্যশস্য বিতরণের জন্য ১০ টাকা মূল্যে প্রতি কার্ডধারীকে ৩০ কেজি চাল ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে।

দিঘলিয়া সদর ইউনিয়নে তিনজন ডিলারের মাধ্যমে ১ হাজার ৮০০ কার্ডধারীর মাঝে চাল বিক্রি করা হয়। এদের মধ্যে ডিলার মকবুল হোসেন ও আজিজুল মোল্লা ওজনে কম দেয়া ও ১০ টাকা মূল্যের ৩০ কেজি চালের সঙ্গে গত মঙ্গলবার ৬০০ টাকা মূল্যের বন্ধু চুলাও বিক্রি করছেন। হতদরিদ্র এসকল কার্ডধারীরা চুলা ক্রয়ে অনিহা প্রকাশ করলে কার্ড বাতিল করার হুমকি দেয়া হয়। তাই বাধ্য হয়েছে হতদরিদ্র মানুষগুলো ৬০০ টাকা মূল্যের চুলা কিনছে। অথচ ওই চুলার প্রকৃত বাজার মূল্য মাত্র ১৫০ টাকা বলে জানা গেছে।

সেই সঙ্গে সরকারের ৩০ কেজি চালের বস্তায় ওজনে কম পাওয়া যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে বস্তা থেকে ভোমা মেরে চাল কমিয়ে ফেলছে ডিলার। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি দেয়া হচ্ছে।

ইতোপূর্বে ডিলার মকবুল হোসেন চাল কম দেয়ায় তাকে স্থানীয় জনগণ গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দেয়। পরর্বতীতে মোবাইল কোর্টে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ ব্যাপারে ডিলার, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মকবুল হোসেন বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অনুমোদন নিয়ে চুলা বিক্রি করেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হাফিজ আল আসাদ বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য