করোনা : ক্রেতার অভাবে কমেছে সবজির দাম

প্রজন্ম ডেস্ক

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান ১০ দিন বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। ফলে মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে কম। এতে করে সবজির বাজার প্রায় ক্রেতা শূন্য হয়েছে পড়েছে। যার কারণে কমে গেছে সব ধরনের সবজির দাম। ৪০ টাকার নিচে নেমেছে পেঁয়াজ। এছাড়া বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ২০-৩০ টাকা কমেছে।

রাজধানীর মতিঝিল, খিলগাঁও, মুগদা, ফকিরাপুল, সেগুনবাগিচাসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

রোববার (৩৯ মার্চ) রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০। এক সপ্তাহ আগে ছিল ৫০ টাকা। তারও আগে করোনাভাইরাসের আতঙ্কে ক্রেতারা বেশি কেনায় এক পর্যায়ে দাম ৮০ টাকায় উঠেছিল। পরে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার কঠোর পদক্ষেপে দাম কমে এসেছে।

এদিকে রাজধানীর কাঁচাবাজরে ঘুরে দেখা গেছে লেবু ছাড়া সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে কমেছে ২০-৩০ টাকা।

মতিঝিল এলাকার খুচরা সবজি বিক্রেতা সাইফুল ইসলাম জানান, গত চার-পাঁচ দিন ধরে ক্রেতা নেই। অল্প করে সবজি আনি তাও সব বিক্রি হয় না। পাইকারি বাজারে সবজির অভাব নেই। দামও কম। কিন্তু এনে কি করবো। মানুষ নাই কিনবো কে। এনে নষ্ট করে লাভ নাই।

তিনি জানান, সব ধরনের সবজির দাম কমে গেছে। প্রতি কেজি সাদা আলু ২০ টাকা, এক সপ্তাহ আগেও ছিল ২৫-৩০ টাকা। ৬০ টাকার করলা আজকে ৩০ টাকা। বেগুন ও শিম ২৫-৩০ টাকা, টমেটো ২৫ টাকা। গড়ে ২০-৩০ টাকা সবজির দাম কমছে বলে তিনি জানান।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি মুলা ১৫-২০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, শসা ও খিরা ২০-৩০ টাকা, ধুনদল, ঝিঙা ৩০, পেঁপে ৩০ টাকা, মিষ্টি কুমড়ার পিচ ১৫-২০ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা, ঢেঁড়শ, কচুরলতি ৪০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ২০-৩০ টাকা। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা।

তবে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে লেবু। প্রতি হালি মান বেধে লেবু বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা।

এদিকে কম দামে সবজি কিনে খুশি ক্রেতারা। মতিঝিলে সবজি কিনতে আসা ফরিদ উদ্দিন নামের এক ক্রেতা জানান, তিনদিন বাজার করিনি।আজকে বের হয়ছি তাই সবজি কিনে নিয়ে যাচ্ছি। গত সপ্তাহের চেয়ে সব সবজির দামই কম মনে হচ্ছে।

মন্তব্য