চিকিৎসককে বাসা থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ

প্রজন্ম ডেস্ক

করোনাভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামে আসমা আক্তার নামের এক চিকিৎসককে ভাড়া বাসা থেকে বের করে দিয়েছেন ভবনের মালিক। ওই চিকিৎসক সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গাইনি বিভাগে কর্মরত।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ডা. আসমা আক্তার সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেছেন।

ডা. আসমা বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে সোনাইমুড়ীর শিমুলিয়া গ্রামে মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে ছোট বোনের পরিবারের সঙ্গে থাকি। আমার স্বামীর বাড়ি কুমিল্লায়। গত ১৪ এপ্রিল হাসপাতালে আসার সময় বাড়ির মালিক পথ রোধ করে বলেন, তুমি এখন যে যাচ্ছ, এ বাড়িতে আর ঢুকবে না।’

যানবাহন বন্ধ থাকায় কুমিল্লায় গিয়ে স্বামীর সঙ্গে থাকার সুযোগ নেই। তাই সোনাইমুড়ীতে একটি বেসরকারি হাসাপাতালে থাকছেন ডা. আসমা।

ওই চিকিৎসক আরো জানান, তিনি এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশকে অবহিত করবেন। এ এলাকায় করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় ব্যস্ততার কারণে প্রশাসনকে অবহিত করতে দেরি হচ্ছে।

এ বিষয়ে বাড়ির মালিক মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘আমি কোনো অপরাধ করিনি। ওই নারী যে চিকিৎসক আমি তা জানি না।’

এলাকাবাসী ও আশপাশের অন্যান্য বাড়ির মালিকরা বলেন, এ ঘটনা অমানবিক। এ সংকটময় মুহূর্তে চিকিৎসকরা নিজের জীবন বাজি রেখে আক্রান্ত মানুষের সেবা দিচ্ছেন। এমন সময় একজন বাড়ির মালিক এ অমানবিক কাজ নাও করতে পারতেন। তার এ কাজ সমর্থনযোগ্য নয়।

সোনাইমুড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সামাদ জানিয়েছেন, ওই চিকিৎসকের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য