ক্রেতার অভাবে সবজি পচছে ক্ষেতে, রাজধানীতে চড়া দাম

প্রজন্ম ডেস্ক

করোনায় সারাদেশে গণপরিবহন বন্ধ। তবে, জরুরি ও পচনশীলপণ্য পরিবহন সাধারণ ছুটির আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। এরপর পরিবহন শ্রমিক দ্বিগুণ ভাড়া দাবি করছেন। আর ক্রেতারাও ন্যায্যমূল্যে কিনতে রাজি হচ্ছেন না। এতে বিপাকে পড়েছেন সবজিচাষিরা। ক্রেতার অভাবে ক্ষেতেই পচে যাচ্ছে অধিকাংশ সবজি। অথচ রাজধানীতে ভরা মৌসুমেও সবজির দাম চড়া।

কয়েকটি অঞ্চলের চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখন ক্ষেতে রয়েছে বেগুন, টমেটো, মুলা, গাজর, বাঁধাকপি, ফুলকপি, সালগম, লাউ, মিষ্টিকুমড়া, করলা, বরবটি, শিম, চালকুমড়া, ঝিঙ্গা। এছাড়া রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাক, কাঁচামরিচ, ভাঙ্গি ও পেঁয়াজ। এখন এসব সজবি তুলে বাজারজাত করার কথা। কিন্তু করোনার কারণে পরিবহন বন্ধ থাকায় তারা সবজি বিক্রি করতে পারছেন না।

এই পসঙ্গে জানতে চাইলে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘আগামী কয়েক মাস এর বিরূপ প্রভাব থাকবে বাজারে। এর ফলে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমানের আরও অবনতি ঘটবে। সার্বিকভাবে এসব বিষয় দেশের অর্থনীতিতে বড় সংকট তৈরি করবে।’

কৃষি অধিদপ্তরের ক্রপস্ উইংয়ের অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থকরী ফসল) মো. সাইফুল ইসলাম পাটওয়ারী বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণ নিয়মিত সারাদেশের কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। চাষিদের শস্যবিক্রি ও ন্যায্যমূল্যপ্রাপ্তি নিশ্চিতের জন্য কাজ করছে প্রশাসন। সাধারণ ছুটির মধ্যে জরুরি পরিবহনের পাশাপাশি পচনশীল খাদ্যপণ্য পরিবহনকেও আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।’

সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘নিয়মিত অনেক পাইকার আসছেন না। স্থানীয় হাটবাজারেও ক্রেতা কম। আমরা খবর পাচ্ছি, অনেক স্থানে সবজির ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না কৃষকরা। তবে ক্ষেত থেকে সবজি না তুললে লোকসানের পরিমাণও আরও বাড়বে।’কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে সবজি বিক্রির পরামর্শ দেন তিনি।

মন্তব্য