‘ফেস মাস্ককে কনডমের মতো গুরুত্ব দিতে হবে’

প্রজন্ম ডেস্ক

নতুন করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছিল। ফলে ফেস মাস্ক পরার পরামর্শ ইতিমধ্যে বিশ্বজুড়ে নানাভাবে পরিবর্তিত হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরামর্শ বজায় রেখেছে যে, আপনার যদি এই রোগ না হয় তাহলে ফেস মাস্ক পরার প্রয়োজন নেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও বেশ কয়েকটি দেশ সাধারণ মানুষকে উত্সাহিত করছে বাইরে থাকার সময় এবং প্রায় সময় মাস্ক পরার জন্য।

আর এবার একজন বিশেষজ্ঞ দাবি করেছেন, ‘যৌনরোগের ক্ষেত্রে আমরা যেমন কনডম গুরুত্ব দেই, ঠিক তেমনি করোনার ক্ষেত্রে ফেস মাস্ক নিয়ে ভাবতে হবে।’

উইসকনসিন-মেডিসন ইউনিভার্সিটির ভাইরাল রোগ গবেষক ডেভিড ও’কনোর তার ব্যাখায় বলেন, ‘লোকেরা অসুস্থ হওয়ার আগে যদি প্রচুর পরিমাণে সংক্রমণ ঘটে তবে আপনি কীভাবে এটিকে বন্ধ করবেন?’

তিনি বলেন, ‘এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ার পর মানুষজন সুস্থ বা ঠিকঠাক বোধ করে। যৌনবাহিত ভাইরাস সংক্রমণে বাধাদান পদ্ধতি হিসেবে কাজ করে কনডমের সঠিক ব্যবহার। ফেস মাস্ক একটি বাধাদান পদ্ধতি, এটিও নিয়মিত পরতে হবে এবং করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সঠিকভাবে পরতে হবে।’

কিছুদিন আগে যুক্তরাজ্যের ১০০ জন চিকিৎসক সাধারণ মানুষের ফেস মাস্ক ব্যবহারের পক্ষে কথা বলেছিলেন। চিকিৎসকরা বলেন, করোনার লক্ষণ থাকলে সরকার ফেস মাস্ক পরার জন্য বলছে সংক্রমণের বিস্তার কমাতে। কিন্তু করোনা লক্ষণ প্রকাশ পায়নি, এমন সংক্রমণের বিস্তার ঠেকানোর কী হবে?

মন্তব্য