চট্টগ্রাম বন্দরে স্টোররেন্ট মওকুফ ১৬ মে পর্যন্ত

প্রজন্ম ডেস্ক

চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার জট নিরসন ও আমদানি-রফতানিকারকদের জন্য সরকার ঘোষিত প্রণোদনার অংশ হিসেবে স্টোররেন্ট শতভাগ মওকুফের সময় তৃতীয় দফায় বাড়ানো হয়েছে। এবার এ সুবিধা বাড়ানো হয়েছে আগামী ১৬ মে পর্যন্ত।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে বন্দরের পরিচালক

(ট্রাফিক) এনামুল হকের সই করা এক চিঠিতে স্টেক হোল্ডারদের এ বিষয়ে জানানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়ছে, চলমান লকডাউনে আমদানি-রফতানিকারকদের প্রণোদনার অংশ হিসেবে আগামী ১৬ মে পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের স্টোররেন্ট শতভাগ মওকুফ করা হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, বন্দরের কনটেইনার জট নিরসনে নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে পণ্য ছাড় না করালে তাদের বিরুদ্ধে বন্দর আইন ২০০১ এর ১৬০ ধারা অনুযায়ী দণ্ডকর আদায় করা হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর সচিব ওমর ফারুক বলেন, বিজিএমইএ সভাপতি ও চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতির চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে স্টোররেন্ট মওকুফ সুবিধাটি দেয়া হয়েছে। পণ্য আমদানির পর আমদানিকারকেরা দ্রুত তা ছাড়করণের উদ্যোগ নেবেন, এটা আমাদের প্রত্যাশা। এ ছাড়া বর্তমান পরিস্থিতিতে কাস্টমসসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোও আরও বেশি দায়িত্ব নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করলে বন্দরের পরিচালন ও খালাস কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ মার্চ সাধারণ ছুটির সময় থেকে বন্দর দিয়ে আমদানি করা সব ধরনের কন্টেইনার রাখার ভাড়ায় ছাড় দেয়া হয়েছিল। সাধারণ ছুটির কারণে বেশিরভাগ সংস্থার সেবার আওতা সীমিত করায় এই ছাড় দেয়া হয়। কিন্তু এ সুবিধা নিয়ে উল্টো বন্দরে কনটেইনার ফেলে রেখে জট বাড়িয়ে দিলে গত ২০ এপ্রিল থেকে তা প্রত্যাহার করে নেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ।

পরে গত ২৭ এপ্রিল প্রথমে বন্দর কর্তৃপক্ষ পোশাক শিল্প মালিকদের মাশুল ছাড়ের সুবিধা দিয়ে নতুন একটি আদেশ জারি করে। পরে সে সুবিধা সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়। গতকাল ৪ মে সে সুবিধার মেয়াদ শেষ হতেই আজ আবারও স্টোররেন্ট মওকুফের সময় বাড়ল।

মন্তব্য