স্কেচ এঁকে পোস্টার টাঙিয়ে গ্রেফতার সেই ধর্ষক কারাগারে

প্রজন্ম ডেস্ক

রাজধানীর কদমতলীতে ছয় বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার টুটুলকে (২০) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) তিন দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম জসিম উদ্দিন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে ৩ মে ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লাহ তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ২৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় টুটুল মুরাদনগর এলাকায় একটি শিশুকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে মাস্ক পরা এক যুবকের ছবি শিল্পীকে দিয়ে স্কেচ করিয়ে নেয়া হয়। ওই স্কেচ থেকেই ১ মে রাতে কদমতলী এলাকা থেকে ধর্ষককে পুলিশ গ্রেফতার করে।

পুলিশের শ্যামপুর জোনের সহকারী কমিশনার পুলিশ কর্মকর্তা শাহ আলম জানান, টুটুলের বাসা মুগদা এলাকায়। সে কদমতলীতে তার নানা ও খালার বাসায় মাঝে মাঝে ঘুরতে যেত। ২৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় শিশুটিকে উদ্ধার করার পর তার বাবা কদমতলী থানায় একটি মামলা করেন।

তিনি বলেন, মুরাদপুর এলাকায় ধর্ষণের স্থানটির আশপাশের ১৬টি বাড়ির সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ জব্দ করা হয়। একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, এক যুবক মেয়েটিকে হাত ধরে রাস্তায় হেঁটে যাচ্ছে। কিন্তু যুবকের মুখে মাস্ক পরা ছিল বলে তাকে শনাক্ত করা যাচ্ছিল না। পরে সাখাওয়াত তমাল নামে এক শিল্পীকে দিয়ে সন্দেহভাজন যুবকের স্কেচ এঁকে নেয়া হয়। ওই স্কেচের ১০০ কপি পোস্টার বানানো হয়। পোস্টার এলাকায় টানানোর পর একজন ফোন করে ওই যুবকের পরিচয় নিশ্চিত করেন।

ঘটনাটি তদন্ত করে কদমতলী থানার পরিদশর্ক (তদন্ত) কামরুজ্জামান, এসআই আব্বাস ও এএসআই ওয়ালী উল্লাহর নেতৃত্বে একটি টিম ওই যুবককে শুক্রবার রাতে গ্রফতার করে। গ্রেফাতর টুটুল ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

মন্তব্য