বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় মহিলা পরিষদের উদ্বেগ

প্রজন্ম ডেস্ক

সিলেটের জৈন্তাপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হওয়া এবং ধর্ষণের দৃশ্য ভিডিও ধারণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সেইসঙ্গে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে এ ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, ঘটনার শিকার বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ ও দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ফওজিয়া মোসলেম ও সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু।

বিবৃতিতে পর্নোগ্রাফির বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি দমন আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। একইসাথে সারাদেশে নৃশংস, বর্বর এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সরকার, প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মহিলা পরিষদ।

এতে উল্লেখ করা হয়, ‘বিভিন্ন দৈনিক সংবাদ মাধ্যমে জানা যায় যে, গত ২ মে (শনিবার) সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের  ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হওয়া এবং ধর্ষণের দৃশ্য ভিডিও ধারণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা সূত্রে জানা যায় যে, ইফতারের দাওয়াত দিয়ে মতাসীন রাজনৈতিক দলের নেত্রী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর খালা ঘটনার শিকার বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে বাড়িতে ডেকে নেন। ইফতারের পর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে চায়ের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাওয়ালে ছাত্রী অচেতন হয়ে পড়লে খালু কয়েস আহমদ তাকে ধর্ষণ করেন এবং তার স্ত্রী সুমি বেগম পর্নোগ্রাফির উদ্দেশ্যে ওই দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন। এ ঘটনায় জৈন্তাপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।’

মন্তব্য