যশোর বাজারে মাছ তরকারির দাম নাগালে : বেড়েছে মাংশের দাম

যশোর বাজারে মাছ তরকারির দাম নাগালে : বেড়েছে মাংশের দাম

শরিয়তউল্লাহ শুভ

চলতি মাসে হঠাৎ করে মূল্যবৃদ্ধি পাওয়া কাচা মরিচের দাম এখন ক্রেতার নাগালের মধ্যে। কমেছে হঠাৎ বেড়ে যাওয়া ডিমের দামও। তবে গরুর মাংসের দাম কিছুটা বেড়েছে। গতকাল যশোর শহরের বড়বাজার, রেল স্টেশন বাজার ও তালতলা বাজার ঘুরে এমনই দৃশ্য চোখে পড়েছে।
এদিকে কাচাবাজরে সামান্য হ্রাস বৃদ্ধি ঘটলেও সহনীয় পর্যায়ে থাকায় খুশি ক্রেতারা। বাজারে পটল, ঝিঙা, ধুনদল, চিচিংগা, বেগুন, কাঁকরল, ঢেঁড়স, মিষ্টি কুমড়া, পেঁপেসহ প্রায় সব সবজিই ভরপুর। এসব সবজি ৩০ টাকা কেজির মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজার ভেদে সবজির দামের পার্থক্য রয়েছে। নতুন সবজি বাধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে। স্টেশন বাজারে বাজার করতে আসা সুখদেব বলেন, কাচা বাজরে সামান্য হ্রাস বৃদ্ধি হলেও দাম সহনীয় মাত্রায় থাকায় তিনি খুশি।

বড় বাজারের ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, বাজারে এখন সব সবজির সরবরাহ ভরপুর। যে কারণে দাম কিছুটা কম। তবে বৃষ্টি হলে ক্ষেতে সবজি নষ্ট হয়ে যায়। যার কারনে দাম বৃদ্ধি হয়। যদি এখন বৃষ্টি অব্যাহত থাকে তবে সবজির দাম বৃদ্ধি পেতে পারে।
বড়বাজারে আলু কেজি প্রতি ২২-২৪ টাকা, কাচা মরিচ ৫০-৬০ টাকা, পেয়াজ (ভারতীয়) ২২ টাকা ও দেশীয় ৫০ টাকা, রসুন (মানভেদে) ৩০-৫০ দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে কমেছে হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়া ডিমের দাম। ফার্মের মুরগির ডিমের দাম প্রতি হালি ৩২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশী মুরগি ও হাসের ডিমের দাম হালি প্রতি ৪০ টাকা যা গত সপ্তাহে ছিলো ৪৪ টাকা হালি।
ইলিশসহ অন্যান্য মাছের দাম কমেছে। এজন্য গতকাল বড় বাজারের মাছ বাজারে ছিলো ক্রেতাদের ভীড়। ইলিশ কেজি প্রতি আকার ভেদে ৪৫০-৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রুই মাছ (বড় সাইজ) বিক্রি হচ্ছে ১৪৫-১৫০ টাকায় যা গত সপ্তাহে দাম ছিল ১৭০ টাকা। এছাড়া তেলাপিয়া ১৩০-১৪০ টাকা, পাঙ্গাস ১০০ টাকা দরে বিকোচ্ছে।

মাংসের বাজারেও উল্লেখযোগ্য কোন পরিবর্তন ঘটেনি। ব্রয়লার ও পোল্ট্রি কেজি প্রতি ১৩০ টাকা, সোনালী ২০০ টাকা, দেশী মুরগি ৩৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খাশির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭২০ টাকা দরে। তবে গরুর মাংস কেজি প্রতি ৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে এ সপ্তাহের বাজার দর ৪৮০ টাকায় দাড়িয়েছে। সব মিলিয়ে সামান্য হ্রাস বৃদ্ধিতে এ সপ্তাহের বাজার দর সহনীয় মাত্রায় রয়েছে। এজন্য ক্রেতারা ছিলো খুশি।

মন্তব্য