উত্তরাঞ্চলে নদীর পানি বৃদ্ধি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

প্রজন্ম ডেস্ক

কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে দেশের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাট, সিলেট জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

বহু মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। অনেকে ঘর-বাড়ি ছেড়ে উঁচুস্থানে আশ্রয় নিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ধানের বীজতলা এবং ফসলের ক্ষেত।

এ সব জেলা থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিনিধি এবং সংবাদদাতারা এ সংক্রান্ত সংবাদ পাঠিয়েছেন।

সিলেটের নিজস্ব প্রতিবেদক আব্দুল্লাহ আল নোমান জানান, সিলেটের সবকটি নদীর পানি বাড়ছে। সুরমা এবং সারি নদীর দুটি পয়েন্টে পানি প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার ওপর দিয়ে।

পানি বাড়ার কারণে নদী তীরের তিনটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন এসব এলাকার কয়েক হাজার মানুষ। পানিতে তলিয়ে গেছে সারি-গোয়াইনঘাট সড়কসহ গ্রামীণ অনেক সড়ক। এ কারণে শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেল থেকে উপজেলা সদরের সাথে বন্ধ হয়ে গেছে সড়ক যোগাযোগ ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, সুরমার কানাইঘাট পয়েন্ট এবং সারি নদীর সারিঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাশাপাশি সুরমার সিলেট পয়েন্ট, কুশিয়ারার আমলশীদ, শেওলা, শেরপুর এবং ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্ট ও সীমান্ত নদী লোভাছড়া এবং পিয়াইন নদের পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে আগামী ২৪ ঘন্টায় এসব পয়েন্টের পানি আরও বাড়বে। একই সাথে নতুন করে অনেক এলাকা পানিতে তলিয়ে যেতে পারে বলে শঙ্কা করা হচ্ছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যা ৬টায় সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার এবং সারি নদীর সারি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। একই সময়ে পানি সুরমার সিলেট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯৬ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারার আমলশীদ পয়েন্টে ৯৭ সেন্টিমিটার, শেওলা পয়েন্টে ১৩৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

এছাড়া লোভাছড়ায় সর্বশেষ ১২ ঘন্টায় ১০৪ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে।

একই সাথে কানাইঘাটে গত ২৪ ঘন্টায় ৫৭ মিলিমিটার, সিলেটে ২৭ মিলিমিটার, বিয়ানীবাজারের শেওলায় ২১ মিলিমিটার এবং শেরপুরে ১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ শহীদুজ্জামান সরকার বলেন, ‘সিলেটে নদ-নদীর পানি বাড়ছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুসারে আরও দুইদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। এছাড়া উজানেও বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। এ কারণে নদী তীরের উপজেলাগুলোর নিম্নাঞ্চল পানিতে প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।’

শুক্রবার রাত ১২টার দিকে গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মনজুর আহমদ জানান, সীমান্তবর্তী উপজেলা হওয়ার কারণে পাহাড়ি ঢল নামলেই এ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। গত মে মাসের শেষ সপ্তাহে তিন-চারদিন উপজেলার প্রায় ৫০ এর অধিক গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়েছিল। বন্ধ হয়ে পড়েছিল উপজেলা সদরের সাথে সড়কপথে যান চলাচল। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছিল। এ ক্ষতি পুষিয়ে ওঠার আগেই ফের দ্বিতীয় বারের মতো উপজেলার অধিকাংশ গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে।

তিনি জানান, পাহাড়ি ঢলে সারি ও পিয়াইন নদীর পানি দুই তীর উপচে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের জাফলং চা বাগান, বাউরবাগ হাওর, আসামপাড়া হাওর, পুর্ব আলীরগাঁও ইউনিয়নের নাইন্দা, তীতকুল্লি, বুধিগাঁও, খাস, দাড়াইল, বাংলাইন ও লাতু হাওর, পশ্চিম আলীরগাঁও ইউনিয়নের সাতাইন, পাঁচপাড়া, পুকাশহাওসহ উপজেলার বিভিন্ন হাওর এলাকার গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ভেসে গেছে শতাধিক মৎস খামারের মাছও। এছাড়া সারি-গোয়াইনঘাট সড়ক ও গোয়াইনঘাট- জাফলং সড়ক দিয়ে যান চলাচলও বন্ধ আছে।

গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুস সাকিব জানান, তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। ইতোমধ্যে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক তথ্য প্রদানের জন্য সকল ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কানাইঘাট উপজেলায় সুরমা ২৯ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উপজেলার লোভা নদীর পানিও বাড়ছে হু হু করে। এ কারণে উপজেলার ১ নং লক্ষী প্রসাদ পূর্ব, ২ নং লক্ষী প্রসাদ পশ্চিম, ৫ নং বড় চতুল, কানাইঘাট পৌরসভা, ৯ নং রাজাগঞ্জ, ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বারিউল করিম খান।

গত বুধবার রাত থেকে টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে সিলেটে। একই সাথে সীমান্তের ওপারেও বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে সুরমা, কুশিয়ারা, সারি, পিয়াইন, ধলাইয়ে নামছে ঢল। আর এ ঢলেই প্লাবিত হচ্ছে নিম্বাঞ্চল। বৃষ্টিপাত আরও দু’তিনদিন থাকবে বলে পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। এ কারণে করোনার দুর্ভোগে নতুন করে বন্যার আতঙ্কে আছেন মানুষ।

লালমনিরহাট প্রতিনিধি ফারুক আলম জানান, জেলার নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের ঘর-বাড়ি, মাঠঘাট তলিয়ে যাচ্ছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) লালমনিরহাটের দোয়ানী তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ধরলা নদীর লালমনিরহাট অংশে বিপৎসীমা অতিক্রমের কাছাকাছি ছিল। কুড়িগ্রাম অংশে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, তিস্তা ও ধরলার পানি প্রবাহ এখনো ওঠানামার মধ্যে রয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে- শনিবার (২৭ জুন) ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। ফলে এই নদীগুলোর পানি আরো বাড়তে পারে।

নদীতে পানিপ্রবাহের গতিধারা দেখে স্থানীয় অনেকে আশঙ্কা করছেন- এবারের পানি বৃদ্ধির অবস্থান দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল হক জানান, ধরলা তিস্তা ও বহ্মপুত্র’র উৎসস্থল একই স্থানে। উজানে গত কয়েকদিন ধরে বৃষ্টিপাত থাকায় বৃদ্ধি পেয়েছে এসব নদ-নদীর পানি।

নীলফামারী সংবাদদাতা ইয়াছিন মোহাম্মদ সিথুন জানান, পানি বৃদ্ধির ফলে তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁধগুলো হুমকির মুখে পড়েছে।

নীলফামারীর ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস সর্তকীকরণ কেন্দ্র জানায়, শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৬টায় তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উজানের ঢল সামাল দিতে খুলে রাখা হয়েছে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট।

টানা দুই দিনের বৃষ্টির ফলে তিস্তার আশপাশে আমন ধানের বীজতলার পাশাপাশি চল অঞ্চলে বাদামের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বন্যার কারণে বিভিন্ন পুকুরের মাছের বের হওয়ার ফলে মৎস্যচাষিদের ক্ষতি হয়েছে।

ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরা জানায়, তিস্তার বন্যায় ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশ চাঁপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী, জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ি, গোলমুন্ডা, শৌলমারী, কৈমারীসহ ১০ ইউনিয়নের তিস্তা অববাহিকার ১৫টি চর ও গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ওই এলাকায় বসবাসকারীরা নিরাপদে উঁচু স্থানে সরে গিয়েছে। চরাঞ্চলের বাদাম ক্ষেত ও আমন ধানের বীজতলা তলিয়ে রয়েছে। জেলার অধিকাংশ নিচু এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে।

নীলফামারী জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, পরিস্থিতি বিবেচনায় তিস্তা নদীর অববাহিকায় বসবাসকরা মানুষজনের ওপর নজরদারি করছেন। এলাকার জনপ্রতিনিধিদের নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, নীলফামারীর তিস্তা অববাহিকায় সরকারিভাবে ১২টি বড় নৌকা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে সেই নৌকাগুলো দিয়ে বন্যাকবলিত পরিবারকে সহায়তা করা হবে। পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রী মজুদ রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা বিতরণ করা হবে বলে জানান তিনি।

কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। ধরলা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, জেলার সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি বিপদসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার ও ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে ৩৩ সেন্টিমিটার এবং নুনখাওয়া পয়েন্টে ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ২৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বেড়েছে অন্যান্য নদ-নদীর পানিও।

দুটি নদী অববাহিকার নিম্নাঞ্চলসহ দুই শতাধিক চর ও দ্বীপচর প্লাবিত হয়ে পড়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে চরাঞ্চলে আবাদকৃত পটল করলা, ঢেড়সসহ সবজিক্ষেত এবং কাউন, চিনা, বাদামসহ বিভিন্ন মৌসুমী ফসল।

এসব এলাকার রাস্তাঘাট তলিয়ে থাকায় পানিবন্দি মানুষের বাহন এখন নৌকা অথবা কলাগাছের ভেলা।

পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় এসব চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের মানুষেরা পরিবারপরিজনসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও গবাদিপশু নিয়ে ঘর-বাড়ি ছেড়ে উঁচু জায়গায় চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকায় সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের বলদিয়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের যাতায়াতের কাচা রাস্তা পানির নিচে চলে গেছে। পানি প্রবেশ করেছে অন্তত ৫০টি বাড়িতে। নদীর তীররক্ষা বাঁধ না থাকায় বিভিন্ন গ্রামে পানি প্রবেশ করছে।

সেখানে কথা হয় বলদিয়া গ্রামের মতিয়ার রহমান (৬০) সঙ্গে। তিনি জানান, সকাল থেকে যেভাবে পানি বাড়ছে তাতে মনে হয় আর বাড়িতে থাকা সম্ভব হবে না। তারপরও ইট দিয়ে বিছানা উঁচু করে রেখেছি, যাতে বউ বাচ্চা নিয়ে সেখানে রাতটা পার পারেন।

যাত্রাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব আলী সরকার জানান, তার ইউনিয়নের ছোট-বড় ১৫টি চর প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এছাড়াও নদীর অববাহিকার গ্রামগুলোও প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এক কথায় ইউনিয়নের অর্ধেকটাই এখন প্লাবিত। সবমিলে ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বলে জানান তিনি।

সদর উপজেলার যাত্রাপুরের মতো অবস্থা ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকার নাগেশ্বরী উপজেলার নুনখাওয়া ও নারায়ণপুর; উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ও বেগমগন্জ; চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের। এসব ইউনিয়নের চরাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়ে পড়ায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল করিম জানান, যে সব এলাকার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে, সেখানে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করার প্রস্তুতি চলছে। পর্যাপ্ত ত্রাণের চাল মজুদ রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী তা বিতরণ করা হবে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, আগামী দু’-এক দিন ধরলা ও তিস্তার পানি কিছুটা কমলেও ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য