স্থলবন্দরের বাণিজ্য স্বাভাবিক রাখতে দিল্লিকে ঢাকার চিঠি

প্রজন্ম ডেস্ক

ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যের বেশির ভাগই এখন হয় স্থলপথে, আর কিছুটা নদীপথে ও রেলপথে। করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সব ধরনের মাধ্যম আবার আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য শুরু হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ভারতীয় পণ্য নির্বিঘ্নে দেশে এলেও বাংলাদেশি পণ্য ভারতে প্রবেশের ক্ষেত্রে জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছে। এ অবস্থায় দেশটির অবস্থান জানা এবং সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশের পণ্য প্রবেশে বাধা পাওয়া নিয়ে ইতোমধ্যে ভারতের সঙ্গে কয়েক দফা যোগাযোগ করা হয়েছে। ভারতীয় পণ্য আমদানির মতো বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিও যাতে নির্বিঘ্নে হয় সে বিষেয়ে দিল্লিকে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। তবে সমস্যার সমাধান এখনো হয়নি।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, চুক্তি অনুযায়ী সমানভাবে দুদেশের পণ্য আমদানি ও রপ্তানি চলবে। কিন্তু বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে কি সমস্যা হচ্ছে, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি আমরা ভারত সরকারের কাছেও এ বিষয়ে তাদের মতামত জানাতে চিঠি লিখেছি।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার বাংলাদেশ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দুই দেশের বাণিজ্য ১০ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে। ভারতের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য বাংলাদেশে ২২টি স্থলবন্দর রয়েছে। এছাড়া বর্তমানে দু’দেশের মধ্যে পেট্রাপোল-বেনাপোল, গেদে-দর্শনা, রোহানপুর-শিংহাবাদ এবং রাধিকাপুর-বিড়ল এ চারটি রেল সংযোগ বিদ্যমান রয়েছে। আর এ চারটি দিয়েই পণ্য পরিবহনের অনুমতি রয়েছে।

করোনা পরিস্থিতিতে গত মার্চ থেকে বন্ধ থাকার পর ৬ জুন বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানি শুরু করে ভারত।

মন্তব্য