যশোর বড়বাজারে ভয়াভহ অগ্নিকান্ডে ৭টি দোকান ভষ্মিভুত

যশোর বড়বাজারে ভয়াভহ অগ্নিকান্ডে ৭টি দোকান ভষ্মিভুত

পার্থ প্রতীম দেবনাথ

গতকাল রাতে যাশোর শহরের বড়বাজারে অগ্নিকান্ডে কয়েকটি দোকান ভষ্মিভুত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস পূর্ণশক্তি প্রয়োগ করে প্রায় দু’ঘন্টা পর আগুন নিয়োন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। আগুনের সূত্রপাত কী ভাবে হয়েছে তা জানা যায়নি।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেছেন, গতকাল রাত ১০ টার দিকে বড় বাজার আলুপট্টি মজিদের পাশের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মূহুর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের দোকানগুলিতে। খবর পেয়ে যশোর ফায়ার সার্ভিসের সবগুলি গাড়ি ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রনের কাজ শুরু করে রাত সাড়ে এগারটার দিকে তারা আগুন মোটামুটি নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। এর মধ্যেই সাতটি দোকান সম্পূর্নভাবে ভষ্মিভুত হয়। ক্ষতিগ্রস্থ হয় আরো কয়েকটি দোকান ।

ক্ষতিগ্রস্থ দোকনগুলি প্রসাধন সামগ্রি। ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা জানান, অপরিসর গলিপথ ও ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় অগ্নিনির্বাপনে তাদের বেগপেতে হয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, আগুন লাগার পর ঐ স্থান থেকে পটকা ফোটার শব্দ শোনা গেছে। তাদের দাবি দোকানগুলিতে বিষ্ফোরক দ্রব্য (বাজি) ছিল।

এ কারনে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তারা বলেন, বড়বাজারের এই এলাকায় প্রায় প্রতিবছরই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। আগে হাটখোলা রোডে পুকুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মিরা পানি নিয়ে অগ্নি নির্বাপনে ব্যবহার করতো। কিন্তু সেই পুকুরটি অবৈধভাবে ভরাট করে তার উপর বিলাস বহুল মার্কেট গড়ে তোলায় অগ্নিনির্বাপনে পানির সংকট দেখা দেয়। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

গতকাল রাতেও এমনটি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মিরা আগুন নেভানোর কাজ শুরুকরার কিছুক্ষনের মধ্যেই তাদের পানি ফুরিয়ে যায়। ফলে অনেকটা সময় তাদেরকে বসে থাকতে হয় হাতগুটিয়ে। প্রায় আধঘন্টা পর ফায়ার সার্ভিস অফিস থেকে পাইপ এনে লালদিঘি থেকে পানি নিয়ে তাদের আগুন নেভাতে হয়।

মন্তব্য