বোন ভাইয়ের পর বাবারও মৃত্যু

প্রজন্ম ডেস্ক

রাজধানী বংশাল কসাইটুলি এলাকায় গ্যাস পাইপ বিস্ফোরণে গুরুতর দগ্ধ জাভেদ মিয়া মারা গেছেন। সোমবার বিকেলে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। ইনস্টিটিউট সূত্র তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

ওই দুর্ঘটনায় প্রথমে জাভেদ মিয়ার মেয়ে জান্নাত (৪), পরে শিশু সন্তান (১) মারা যায়। এ নিয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হলো। তারা সবাই শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

দুই শিশুর মা ও জাভেদ মিয়ার স্ত্রী শিউলি (২৫) দগ্ধ হয়ে এখনও বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন। তার শরীরের ১৭ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। অবস্থা অপরিবর্তিত আছে।

গত বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে বংশাল কমিউনিটি সেন্টারের পাশে ৪৪/১ দোতলা বাড়ির নিচতলায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ওই পরিবারের চার সদস্য গুরুতর দগ্ধ হন।

ঢামেক সূত্রে জানা যায়, দগ্ধদের কারও শরীরের ৩৬ শতাংশ, কারও ১৭ শতাংশ ও কারও ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে। সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক ছিল।

বংশাল থানা পুলিশ জানায়, এ ঘটনার কয়েক দিন আগে ওই বাসার গ্যাসলাইন মেরামত করা হয়। বাসার গ্যাসলাইনের সমস্যা ছিল। গ্যাসের চাপে অথবা চুলা জ্বালাতে গিয়ে জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণটি ঘটে থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, জাবেদ ও তার স্ত্রী স্কুলব্যাগ তৈরির কারখানায় কাজ করতেন বলে জানা গেছে।

মন্তব্য