বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই বোমাটি বিস্ফোরিত হয়

প্রজন্ম ডেস্ক

রাজধানীর পল্লবী থানা কম্পাউন্ডের ভেতরে একটি বোমা বিস্ফোরিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে। এতে চার পুলিশসহ পাঁচ জন আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

আহতরা হলেন, পল্লবী থানার ওসি তদন্ত পুলিশ পরিদর্শক ইমরান (৪৮), এসআই সজীব (৩০), পিএসআই অঙ্কুশ (২৮), পিএসআই রুমির (২৮) আহত হয়েছেন। এছাড়া রিয়াজ (২৮) নামে একজন আহত হয়েছেন। বর্তমানে রুমি ও রিয়াজ জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন আছেন। পিএসআই অঙ্কুশ চক্ষু হাসপাতালে আছেন। ওসি তদন্ত ইমরান ও এস আই সজীব প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন।

এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে পল্লবী থানার দায়িত্বরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) আকলিমা আক্তার থানার অফিসার ইনচার্জের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কতজন আহত হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পাঁচ জন আহত হয়েছেন।’

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, রাতে থানা কম্পাউন্ডের ভেতরে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বোমা দেখতে পেয়ে তারা বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেন। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই বোমাটি বিস্ফোরিত হয়। এতে চার জন পুলিশ সদস্য ও একজন সাধারণ নাগরিক আহত হন। তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দু’জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। একজনকে চক্ষু হাসপাতালে স্থানান্তর ও দু’জনকে ভর্তি রাখা হয়েছে।

তবে অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও চারটি ককটেলসহ একজন সন্ত্রাসীকে আটক করে থানায় আনা হয়েছিল। ওই সন্ত্রাসীর সঙ্গে থাকা ককটেলগুলো ডিফিউজ করতে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে কল করা হয়। ককটেল ডিফিউজ করতে গিয়ে বিস্ফোরিত হয়ে পাঁচ জন আহত হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (মিডিয়া) ওয়ালিদ হোসেন বলেন, পল্লবী থানা পুলিশ দু’টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ তিন জন সন্ত্রাসীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। সন্ত্রাসীদের কাছে ওজন মাপার মেশিনের মতো একটা যন্ত্র ছিল। ওই যন্ত্রটি ডিউটি অফিসারের কক্ষে রাখা হলে তা বিস্ফোরিত হয়।

তিনি জানান, আটক হওয়া সন্ত্রাসীরা ভাড়াটে খুনি। পুলিশের কাছে তথ্য ছিল তারা পল্লবীর স্থানীয় একজন রাজনৈতিক নেতাকে হত্যা করবে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের পর বিষয়গুলো পরিষ্কার হবে।

মন্তব্য