৮ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ, শিক্ষক হাজতে

প্রজন্ম ডেস্ক

চুয়াডাঙ্গায় অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ মামলায় এক শিক্ষককে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। রবিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে আদালত এই রায় দেয়। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আল-মামুন। তিনি কুলতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক এবং মোক্তারপুর গ্রামের মাঝপাড়ার ফজলু বিশ্বাসের ছেলে ও জীবননগর উপজেলার কেডিকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শুকুর সরকারের মেয়ে জামাই।

ভুক্তভোগীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২৬ এপ্রিল অষ্টম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে আল-মামুন ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কেডিকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শুকুর সরকারের মেয়ে জামাই হওয়ায় এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ব্যাপারটি নিয়ে পুলিশের কাছে না যাওয়ার জন্য মেয়েটির পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও প্রভাবশালীরা উপযুক্ত বিচারের আশ্বাস দিয়ে কেবল সময়ক্ষেপণ ও হুমকি দিতেই থাকে। এসব হুমকি উপেক্ষা করে মেয়েটির বাবা জীবননগর থানায় গেলে সেখানেও পুলিশের মাধ্যমে নানাভাবে হেনস্তার শিকার হন।

মেয়েটির পরিবার জানায়, “ওই থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলামসহ উপস্থিত অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা আমাদের বলতে থাকে ‘তোমরা মেয়ে নিয়ে ব্যবসা করছো নাকি, এতদিন থানায় না এসে টাকা কামানোর ধান্দায় ছিলে?’ এমন আরও নানা ধরনের অপমানজনক কথা বলেন তারা।”

৯ আগস্ট ভুক্তভোগী মেয়েটির বাবা বাড়িতে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করলে ওইদিন দুপুরে জীবননগর থানার সাংবাদিকরা উপস্থিত হয়ে অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলামের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। তিনি মামলা নিতে সম্মতি জানান এবং ওই শিক্ষার্থীসহ অভিভাবককে থানায় আসার জন্য অনুরোধ করেন। শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে ৯ আগস্ট থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন।

মন্তব্য