প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয়ে প্রচারণা, মুচলেকা দিয়ে মুক্তি

প্রজন্ম ডেস্ক

বঙ্গবন্ধু পরিবারের আত্মীয় পরিচয়, মনোনায়নের প্রত্যাশায় পুরো নির্বাচনি এলাকায় সাঁটানো হয় পোস্টার। পরে পুলিশের কাছে মুচালেকা দিয়ে স্বীকার করেন তিনি ভুল করেছেন। এরকম ঘটনা ঘটেছে ঢাকা-৫ আসন ঘিরে। ঢাকা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনের উত্তাপে পুরো এলাকা এখন সরগরম। যেদিকে দৃষ্টি সেদিকেই রয়েছে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের প্রচারণার বড় বড় ব্যানার পোস্টার-বিলবোর্ড। অন্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মতো শেখ মুশফিকুর রহমান নামে একজন। নিজেকে বঙ্গবন্ধুর ভাতিজি শেখ হামিদার ছেলে পরিচয়ে করেন প্রচারণা। নির্বাচনি এলাকায় ব্যানার-পোষ্টারের পাশাপাশি ছিলো অনলাইন ক্যাম্পেইনও।

বিষয়টি নজরে আসার পর গেল ১৯ আগস্ট যাত্রাবাড়ি থানায় তাকে ডেকে নেয়া হয়। নেয়া হয় মুচলেকা। তিনি উল্লেখ করেন, বঙ্গবন্ধু পরিবারের সঙ্গে তার কোন আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই। তিনি বুদ্ধির ভুলে এমন প্রচারণা চালান। উপ-পুলিশ কমিশনার শাহ ইফতেখার আহমেদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু পরিবারের নাম উনি ব্যবহার করছিলেন, ওইখান থেকে একটা অবজার্ভেশনে ছিলো। তিনি মুচলেকায় উল্লেখ করেছেন যে, উনি বঙ্গবন্ধু বা বঙ্গবন্ধু পরিবারের সঙ্গে পারিবারিকভাবে, গোষ্ঠীগতভাবে বা আত্মীয়তা কোন সম্পর্কে সম্পর্কিত নন। উনি যেটা করেছেন বুদ্ধির ভুলের কারণে এটা করেছেন, এবং উনি একজন অসুস্থ মানুষ। দুইটা কানের একটা কানে উনি শুনতে পারেন না।’

মুশফিকুর রহমান জানান, তার বাড়ি গোপালগঞ্জে। ডেমরায় তার জমি রয়েছে তবে তিনি মিরপুরের বাসিন্দা। বাংলাদেশ আওয়ামী মুজিব লীগ নামে তিনি একটি নিবন্ধনহীন সংগঠন চালান। তিনি আরো বলেন, ‘আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়, কিন্তু এটা আসলে সত্য নয় এটা আমি ডিজি সাহেবের কাছে স্বীকার করে আসছি। লিখেও দিয়ে আসছি। আমার কিছু দুষ্টু লোক আছে ওরা করেছে, এর জন্য আমি ক্ষমা চেয়েছি।’ মুচলেকা দেবার পরে তিনি আত্মীয় পরিচয় দেয়া সব পোষ্টার ও ব্যানার সরিয়ে নিয়েছেন বলেও দাবি করেন।

মন্তব্য