চট্টগ্রাম আবাহনীর দ্বিতীয় নাকি সাইফ স্পোর্টিংয়ের প্রথম?

প্রজন্ম রিপোর্ট

কোয়ার্টারের হার্ডলস টপকিয়ে নিজেদের সর্বোচ্চ মঞ্চ সেমিফাইনালে পা রেখেছে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। ফাইনালে উঠতে পারলে তাদের সামনে আরেকটি ইতিহাস গড়ার হাতছানি। চ্যাম্পিয়ন হলে তো কথাই নেই!

চট্টগ্রাম আবাহনীর জন্য অবশ্য সেমিফাইনাল ও ফাইনাল নতুন নয়। সর্বশেষ ফেডারেশন কাপের একটিতে ফাইনাল ও দুটিতে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে চট্টগ্রামের দলটি। এবার সেমিফাইনাল বাধা পার হয়ে ফাইনালে উঠলে দ্বিতীয়বার শিরোপা যুদ্ধে নামবে চট্টলার আকাশি-নীলরা।

তো চট্টগ্রাম আবাহনী দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠবে, নাকি সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবকে প্রথমবারের মতো দেখা যাবে ফাইনালমঞ্চে? এ প্রশ্নের উত্তর দিতেই দুই দল মঙ্গলবার মুখোমুখি হচ্ছে ফেডারেশন কাপ ফুটবলের প্রথম সেমিফাইনালে। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে সেমিফাইনাল শুরু হবে বিকেল ৪টায়।

কাগজ-কলমের শক্তির বিচারে চট্টগ্রাম আবাহনীর চেয়ে এগিয়ে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। প্রিমিয়ার লিগে ওঠার পর দলটি এর আগে তিনবার ফেডারেশন কাপে খেলে একবার গ্রুপ থেকে বাদ পড়ে দুইবার কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছে। এই প্রথম তাদের সামনে আছে ফাইনালে খেলার সুযোগ।

খেলোয়াড় তালিকায় দুই দলের ওজন যেমনই হোক, তাদের ডাগআউটে থাকবে দুইজন অভিজ্ঞ কোচ। চট্টগ্রাম আবাহনীর ডাগআউটে দেশের অভিজ্ঞ কোচ মারফুল হক এবং সাইফে আছেন বেলজিয়ামের পল পুট। ৫টি দেশের জাতীয় দলের দায়িত্ব পালন করার অভিজ্ঞতা আছে ৬৪ বছর বয়সী এই কোচের।

কোনো চাপ অনুভব করছেন কি সাইফের নতুন কোচ? একদমই উড়িয়ে দিলেন পল পুট। বললেন, ‘আফ্রিকায় ৭০ হাজার দর্শকের সামনে দল পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে। তাই আমি কোয়ার্টার ফাইনালের এই ম্যাচকে চাপ মনে করি না।’

সাইফের নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড কেনেথ বলতে গেলে একাই দলকে টেনে সেমিফাইনাল পর্যন্ত উঠিয়েছেন। এখন পর্যন্ত ৪ গোল করে তিনি সবার ওপরে। দলের কোচ পল পুট অবশ্য তার ওপর নির্ভরশীলন থাকতে রাজি নন। তিনি বলেন, ‘আমার দলে সবাই তারকা। সবাই ভালো খেললেই ভালো ফল আসবে।’

মাঠে নামার আগে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবকে ফেবারিট মানছেন চট্টগ্রাম আবাহনীর কোচ মারুফুল হক। দেশের এ অভিজ্ঞ কোচ বলেছেন, ‘ম্যাচ জিততে একটির বেশি গোলের প্রয়োজন নেই। আমরা একটি গোলের লক্ষ্য নিয়েই নামব। বেশি হলে তো ভালো। সাইফ স্পোর্টিং ভালো দল। তাদের আমরা এগিয়েই রাখব।’

মন্তব্য