কাজ দেয়ার নামে কিশোরীকে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করায় আটক ৪

প্রজন্ম রিপোর্ট

মোংলার সিগনাল টাওয়ার এলাকার এক কিশোরীকে দীর্ঘ প্রায় ৬ মাস ধরে আটকে রেখে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করাসহ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী মঙ্গলবার থানায় মামলা দায়েরের পর ধর্ষকসহ পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করার অপরাধে ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

মোংলা থানার ওসি (তদন্ত) তুহিন মন্ডল জানান, মোংলা পৌর শহরের সিগনাল টাওয়ার এলাকার ওই কিশোরীকে ৬ মাস আগে তার আত্মীয় শিউলি বেগম ও শারমিন বেগম কাজের কথা বলে শরণখোলার ধানসাগর এলাকায় নিয়ে যান। এরপর সেখানে ওই কিশোরীকে রেখে বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করেন তারা।

গত ১১ জানুয়ারি কিশোরীর মা-বাবা তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে মোংলায় নিয়ে আসেন। সর্বশেষ তাকে দেলো পাটোয়ারী (৩০) নামে এক ব্যক্তি ধর্ষণ করেন। এর আগেও বাড়িতে রেখে এবং বিভিন্ন বাড়িতে নিয়ে তাকে দিয়ে পতিতাবৃত্তি করানো হয়।

কিশোরীকে তার পরিবার উদ্ধার করে আনার পর মঙ্গলবার থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন ওই কিশোরী। মামলায় শারমিন বেগম (৩০), শিউলি বেগম (৪৫), পারভিন বেগম (৩৫), শিল্পী বেগম (৩৬), আলী হোসেন (৩৮), দেলো পাটোয়ারী (৩০) ও তায়েবা বেগমকে (৩০) আসামি করা হয়েছে। পরে কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে দেলো পাটায়ারী আর পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করায় তার আত্মীয় শারমিন, শিউলি ও শিল্পীকে আটক করেছে পুলিশ।

মামলার অপর আসামি ধর্ষক আলী হোসেন ও তায়েবা বেগম পলাতক রয়েছেন। আটকদের বাড়ি মোংলার কাইনমারী ও সিগনাল টাওয়ার এলাকায়। আটকদেরকে বুধবার সকালে বাগেরহাট জেলহাজতে পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

মন্তব্য