গোলপাতা নিয়ে ফিরছেন বাওয়ালীরা

প্রজন্ম রিপোর্ট

সুন্দরবন থেকে গোলপাতা সংগ্রহ করে ফিরে আসতে শুরু করেছেন বাওয়ালীরা। একমাস আগে তারা গোলপাতা সংগ্রহ করতে বনবিভাগের পাশ নিয়ে জঙ্গলে গিয়েছিলেন। নৌকা বোঝাই করে গোলপাতা নিয়ে ফিরছেন তারা।


বনবিভাগ সূত্র জানায়, সুন্দরবনে প্রতি বছরের মতো এবারও সরকারি বিধিমতে শুরু হয় গোলপাতা আহরণের মৌসুম। প্রতি বছরের মতো এবছরও বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন থেকে পাশ নিয়ে ২৭টি নৌকা সুন্দরবনে গোলপাতা আহরণে যায়। বনবিভাগের চলতি মৌসুমে গোলপাতা আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৬ হাজার কুইন্টাল। সুন্দরবনে গোলপাতা আহরণকারী বাওয়ালীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, একমাস পর নৌকা বোঝাই করে তারা বাড়ি আসতে শুরু করেছেন।


পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে চলতি বছর গোলপাতা আহরণ মৌসুম চলবে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত। বাওয়ালীরা সুন্দরবনে নির্ধারিত সাতটি স্পট থেকে গোলপাতা আহরণ করতে পারবেন। এসময়ে বাওয়ালীদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

সাতক্ষীরা সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এমএ হাসান বলেন, এবছর সাতক্ষীরা রেঞ্জে একটি ক্যুপের আওতায় সুন্দরবনে ৪১, ৪২, ৪৬, ৪৭, ৪৮, ৫০(এ) ও ৫০ (বি) সাতটি স্পটে বাওয়ালীরা গোলপাতা আহরণ করবেন। আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ১লাখ ২৩ হাজার ২৮০ মণ বা ৪৬ হাজার কুইন্টাল।

শতকরা ১৫ টাকা করসহ কুইন্টাল প্রতি রাজস্ব নির্ধারিত হয়েছে ২৮.৭৫ টাকা। একটি নৌকায় সর্বোচ্চ ৫০০ মণ গোলপাতা বহন করা যাবে। প্রতিটি নৌকায় ৫-৬ জন বাওয়ালী অবস্থান করতে পারবেন। গোলপাতা আহরণের সময় বন্যপ্রাণির আক্রমণ হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য বাওয়ালীদের পরামর্শ দেওয়া হয়। বনবিভাগের পক্ষ থেকে টহল জোরদার করা হয়।


আবহাওয়া অনুকূল থাকায় চলতি বছর গোলপাতা আহরণ ও রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এসিএফ এমএ হাসান।

মন্তব্য