হেফাজতের তাণ্ডবে বিএনপি ও পাকিস্তানি গোয়েন্দারা অর্থ দিয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

প্রজন্ম রিপোর্ট

হেফাজতের গ্রেফতার হওয়া নেতারা মুখ খুলতে শুরু করেছে। তারা কোথায় কাদের সহযোগিতায় তাণ্ডব করেছে। তারা ইতোমধ্যেই স্বীকার করেছেন গত মার্চে তাণ্ডব করার জন্য কোথায় কখন কার বাসায় বৈঠক হয়েছে, কারা অর্থায়ন করেছে।’ বিএনপি ও পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা এই তাণ্ডবে অর্থ সহায়তা করেছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। শনিবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর মিন্টু রোডের বাসভবন থেকে অনলাইনে মন্ত্রী তার নির্বাচনি এলাকা রাঙ্গুনিয়ায় নিজের পক্ষ থেকে দুই হাজার স্বল্প আয়ের মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ উদ্বোধন করেন। এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের ইকনোমিক টাইমস ও বাংলাদেশের কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসেছে, ২৬ থেকে ২৮ মার্চ সারাদেশে হেফাজতের ব্যানারে যে তাণ্ডব চালানো হয়েছে, সেখানে বিএনপি-জামায়াত সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে, অর্থ যোগান দিয়েছে এবং পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা সাহায্য করেছে। ওই সময় যেভাবে সারাদেশে তাণ্ডব চালিয়ে নিরীহ মানুষের ঘরবাড়ি-সহায়-সম্পত্তি, যানবাহন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভূমি অফিসে আগুন দিয়ে সাধারণ মানুষের জমির দলিলপত্র পোড়ানো, ফায়ার-রেল-পুলিশ স্টেশনে হামলা হয়েছে। ঐতিহ্য-পুরাকীর্তি ধ্বংস করা এমনকি ভিন্নধর্মের উপাসনালয়ে হামলা হয়েছে। এগুলো নিছক বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা নয়। একটি বৃহৎপরিকল্পনার অংশ হিসেবে সরকার পতনের উদ্দেশ্যে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হয়েছিল। আর তাতে বিএনপি ও জামায়াত পুরোপুরিভাবে সহায়তা ও অর্থ দিয়েছে এবং পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা থেকেও অর্থায়ন পেয়েছে। সুতরাং এই নৈরাজ্যে যারা জড়িত ছিল এবং যারা সহযোগিতা করেছে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় নয়।’

এর আগে রাঙ্গুনিয়ায় দরিদ্রদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ উদ্বোধনে বক্তব্যদানকালে তথ্যমন্ত্রী করোনাকালে দিনমজুর, মাঝি, রিকশা-ভ্যানচালকসহ খেটে-খাওয়া নিম্নবিত্ত মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসতে তার এলাকার আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তাদের কৃষকদের ধানকাটায় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেন তিনি।

মন্তব্য