ব্ল্যাক ফাঙ্গাস : গাইডলাইনের অপেক্ষায় যশোরের স্বাস্থ্য বিভাগ

প্রজন্ম রিপোর্ট

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের পর ভারতে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ (কালো ছত্রাক) বা মিউকরমাইকোসিসের সংক্রমণের খবরে সীমান্তবর্তী জেলা যশোরেও আতঙ্ক রয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে যশোরের স্বাস্থ্য বিভাগ এখনও অন্ধকারে রয়েছে। গণমাধ্যমের কল্যাণে চিকিৎসক এবং সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি ইতোমধ্যে জেনেছেন। তারা এখন অপেক্ষা করছেন প্রটোকল বা গাইডলাইনের জন্য।

যশোরের স্বাস্থ্যবিভাগ সূত্র জানায়, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাকাল ভারতে গত কয়েক মাসে নতুন বিপদ হিসেবে হাজির হয়েছে প্রাণঘাতী ‘কালো ছত্রাক’ বা মিউকরমাইকোসিসের সংক্রমণ। বিরল এ সংক্রমণে মৃত্যুর হার ৫০ শতাংশের কাছাকাছি। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভারতে সুস্থ হয়ে ওঠা কয়েক হাজার কোভিড-১৯ রোগীর শরীরে এ ছত্রাকের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, সাধারণত কোভিড-১৯ থেকে সেরে ওঠার ১২ থেকে ১৮ দিন পর শরীরে এ ছত্রাকের সংক্রমণ দেখা দিতে পারে।

গণমাধ্যম থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ভিত্তিতে নিজেদের মতো করে প্রস্তুতি নিয়ে রাখছেন যশোরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং চিকিৎসকরা। এখন তারা অপেক্ষা করছেন অধিদফতরের নির্দেশনার।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আরিফ আহমেদ জানান, ভারতে ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ সংক্রমণের বিষয়ে তারা অবগত। কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য একটি প্রটোকল বা গাইডলাইন আছে। করোনা চিকিৎসায় তারা এই গাইডলাইন ফলো করছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো প্রটোকল বা গাইডলাইন পাওয়া যায়নি। গাইডলাইন পেলে সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে তারা প্রস্তুত।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো সর্তকবার্তা বা গাইডলাইন দেয়নি। তবে এই সংক্রমণ দেখা দিলে করোনার মতো এর বিরুদ্ধেও লড়াই করবেন তারা।

মন্তব্য