যশোরে ইছালি ফাড়ির আইসি নুরুন্নবির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার ও অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ!

প্রজন্ম রিপোর্ট

যশোর সদরের ইছালি পুলিশ ফাঁড়িতে ব্যাপক গ্রেপ্তার বাণিজ্য চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রায়ই মোটরসাইকেল চুরিসহ বেশকিছু নাটক সাজিয়ে গ্রামের সাধারণ মানুষদের ব্যাপক হয়রাণীর অভিযোগ উঠেছে। এবং সন্ত্রাসীদের সাথে চরম সখ্যতার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

সুত্র জানায়, গতকাল সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাশিমপুর ইউনিয়নের কায়েদখালি গ্রামের একজন নিরিহ কৃষক রাসেল হোসেন, পিতা ঃ হোসেন আলী বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হটাৎ ইছালি ফাঁড়ির আইসি নুরুন্নবি তাকে রাস্তায় প্রতিরোধ করে।

আইসি নুরুন্নবি রাসেল এর সাথে কথা আছে বলে তাকে নিয়ে যায়। এরপর রাসেল এর পরিবার তাকে খুজতে ফঁাড়িতে যায়। কিন্তু রাসেল এর কোন হদিস পায়নি বলে জানান তার পরিবার। রাসেল এর পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাসেল কোন সন্ত্রাসী নয়, তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগও নেই।

সে কৃষিকাজ করে সংসার চালায়। এই আইসি নুরুন্নবি এলাকার বিভিন্ন সন্ত্রাসীদের সাথে সখ্যতা রেখে চলে ও তাদের সাথে ওঠাবসা করে নিয়মিত। স্থানীয় সন্ত্রাসী ও নামকরা মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়িতে খাসি জবাই করে আইসি নুরুন্নবিকে প্রায়ই দাওয়াত দিয়ে খাওয়ানোরও অভিযোগ রয়েছে।

টাকার বিনিময়ে এই সন্ত্রাসীদের দেখিয়ে দেওয়া সাধারণ মানুষদের একের পর এক হয়রাণী করে চলেছেন তিনি। বিভিন্ন সময় তারা কিছু নাটক সাজিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষদের মামলায় ফাসানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ বানিজ্য করে।

স্থানীয় কিছু আওয়ামীলীগ নামধারী বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মিদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে শুরু করে গ্রেফতার মিশন।

কিছুদিন আগে এই আইসি নুরুন্নবি অত্র এলাকায় পরপর দুইটি মোটরসাইকেল চুরির নাটক সাজিয়ে হয়রাণী করেন স্থানীয় সাধারণ মানুষদের।

ভিডিও ফুটেজ দেখে আসল আসামী সোহেলকে গ্রেফতার করে তার কাছ থেকে নগদ প্রায় ১লাখ টাকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেন তিনি। এরপর আরো টাকা ইনকামের উদ্দ্যেশ্যে তিনি শুরু করে ফের সাধারণ মানুষদের গ্রেফতার মিশন। এতে তিনি একেরপর এক সাধারণ মানুষ গ্রেফতার করে অর্থ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন।


এ ব্যাপারে জানতে ইছালি পুলিশ ফাঁড়ির আইসি নুরুন্নবিকে তার মুঠোফোনে পত্রিকা দপ্তর থেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ফোন করা হলে, তিনি বলেন, আমি এখন ব্যস্ত পরে ফোন করবো।

এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কে মোবাইলে অবহিত করা হলে, তিনি বলেন, বিষয়টি আমি জেনে আপনাকে জানাচ্ছি। কিন্তু এরপর বারবার ফোন করা হলেও সে আর তার ব্যবহৃত ফোনটি রিসিভ করেননি।

মন্তব্য