যশোরের বড় বাজারে ব্যারিকেড এখন ব্যবসায়ীদের দখলে

প্রজন্ম রিপোর্ট

যশোর শহরে এইচএমএম রোডের ব্যারিকেড এখন ব্যবসায়ীদের দখলে। এই রোডে যানবাহন প্রবেশ রোধ করে জনগণের স্বস্তির জন্য এই ব্যারিকেড দেয়া হলেও তা এখন জনদুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। এ নিয়ে যশোর পৌরসভা ও ট্রাফিক পরস্পর বিরোধী বক্তব্য দিয়েছে। কিন্তু কেউ কোন ব্যবস্থা না নিয়ে রহস্যজনক কারণে দখলের বিরুদ্ধে নিরব ভূমিকা পালন করছে।

যশোর শহরের বড়বাজার যানজটমুক্ত রাখতে এই বাজারের প্রবেশপথ দড়াটানায় লোহার ব্যারিকেড দেয়া হয়েছে। কিন্তু এই  ব্যারিকেড দখল করে হকাররা রমরমা ব্যবসা চালাচ্ছে। ব্যারিকেডের পুরো অংশ কাপড় ও ফল ব্যবসায়ীসহ হকারদের দখলে। পথচারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, এর চেয়ে এই রোডে যানবাহন চলাচল ভালো ছিল। রাস্তার মুখ জুড়ে দোকানপাট বসানোর ফলে জনগণের চলাচলই দায় হয়ে পড়েছে।

ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের বাসিন্দা শরীফ আফরোজ জানান, বড়বাজারে ঢোকার কোন পরিবেশ নেই। রাস্তার ওপর ব্যারিকেড দিয়ে জনদুর্ভোগ তৈরি করা হয়েছে।

পথচারী জহির ইকবাল বলেন, বড়বাজারের প্রবেশপথ যানজট মুক্ত রাখার নামে কৌশলে দখল করে নিয়ে হকারদের দিয়ে ব্যবসা করানো হচ্ছে। তাদের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে নিয়মিত মাসোহারা ।

মনোয়ার হাসান জানান, বড় বাজার যানজট মুক্ত করার কথা বলে প্রবেশপথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু প্রেসপট্টি দিয়ে রিকশাসহ ছোট-খাটো গাড়ি চলাচলা করছে। হকারদের দিয়ে ব্যবসা করানোর জন্য ব্যারিকেড দেয়া হয়েছে। এটা টাকা আয়ের একটি নতুন কৌশল ছাড়া কিছু না। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা তারা কখনো চিন্তা করে না।

খড়কির শামিমা আফরিন জানান, যানজট মুক্ত করার নামে বড়বাজারের প্রবেশপথ দখল করে নেয়া হয়েছে। হকারদের ব্যবসার কারণে মানুষের চলাচলের রাস্তাও নেই। সবসময় ভীড় লেগেই আছে।

পৌরসভার সচিব আজমল হায়দার খান বলেন, পৌরসভার পক্ষ থেকে এসব দোকানদারদের ওইখানে ব্যবসা করতে নিষেধ করা হয়েছে। একাধিকবার অভিযান চালিয়ে উচ্ছেদ করা হয়েছে। তারপরও ব্যবসা চলছে। এখানে ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ।

ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ব্যারিকেড দেয়ার দায়িত্ব ট্রাফিকের নয় এবং তারা দেয়নি। এ ব্যারিকেড পৌরসভা দিয়েছে।

মন্তব্য