ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ ঘেরে ফেলেছে হাফেজ মুজিবুল

ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ ঘেরে ফেলেছে হাফেজ মুজিবুল

প্রজন্ম ডেস্ক

বাঘারপাড়ার ভাঙ্গুড়ায় কিশোরীকে ধর্ষণ করে তার লাশ মাছের ঘেরের মধ্যে ফেলে দেয়ার কথা স্বীকার করেছে আটক হাফেজ মুজিবুল হক। জয়নব (১৩) নামে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ ও পরবর্তীতে তার লাশ মাছের ঘেরে ফেলার কথা আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) তৌহিদুল ইসলাম প্রেসব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান। 

সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়, যশোর সদর উপজেলার চাঁনপাড়ার বাসিন্দা হাফেজ মুজিবুল হক তার প্রতিবেশী চানপাড়ার মসজিদের ঈমাম আসাদুজ্জামানের বাড়িতে যাতায়াত ছিল। আসাদুজ্জামানের শালিকা নড়াইলের সদর উপজেলার জিয়াউর রহমানের মেয়ে জয়নবের (১৩) সাথে মুজিবুল হক প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।

প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে গত ৩ নভেম্বর জয়নবকে নড়াইলে ডেকে আনে। সেখান থেকে বাঘারপাড়ার ভাঙ্গুড়া এলাকা নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করে তার লাশ রউফ ফকিরের মাছের ঘেরে ফেলে দেয়। এরপর ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে নিতে মুজিবুল নিজেও অপহৃত হয়েছে মর্মে নাটক সাজায়। পরবর্তীতে সে ঢাকায় চলে যায়।

সেখান থেকে চট্টগ্রামে চলে যায়। এর মধ্যে জয়নবের পিতা বাঘারপাড়া থানায় মামলা করেন। মামলার সূত্র ধরে মুজিবুল হকের পিছু নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে মুজিবুলকে হত্যার সাথে জড়িত নিশ্চিত হয়ে তাকে আটক করে। পরে পুলিশের  কাছে ১৬১ ধারায় স্বীকারোক্তি দেয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মুজিবুল হককে আদালতে সোপার্দ করলে সে জয়নবকে হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য