সব ধরনের রেনিটিডিন উৎপাদন বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা

প্রজন্ম ডেস্ক

দেশে সব ধরনের রেনিটিডিন জাতীয় ওষুধ উৎপাদন, বিক্রয়, বিতরণ ও রপ্তানি স্থগিত করেছে সরকার। ভারত থেকে আমদানি করা কাঁচামালে গ্রহণযোগ্য মাত্রার চেয়ে বেশি এন-নিট্রোসডিমিথাইলামাইন (এনডিএমএ) পাওয়ার পর এক গণবিজ্ঞপ্তিতে একথা জানিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের বুধবার স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিটি আজকের বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

সেখানে বলা হয়েছে, ভারতের মেসার্স সারাকা ল্যাবরেটিজ লিমিটেড ও মেসার্স এস এম এস লাইফ সাইন্স থেকে আমদানিকৃত রেনিটিডিন হাইড্রোক্লোরাইড কাঁচামাল এবং ওই কাঁচামাল দিয়ে উৎপাদিত ফিনিশড পণ্যের নমুনা অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বীকৃত ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়।

‘পরীক্ষার ফলাফলে কাঁচামাল ও ফিনিশ প্রোডাক্ট এমডিএমএ ইম্পিউরিটি গ্রহণযোগ্য মাত্রার চেয়ে অধিক পাওয়া যায়। এ কারণে জনস্বার্থে দেশের সব ধরনের রেনিটিডিন জাতীয় ওষুধ উৎপাদন বিক্রয় ও বিতরণ ও রপ্তানি স্থগিত করা হলো।’

মানবশরীরে অ্যাসিড নিঃসরণ প্রতিরোধসহ পেটের পীড়ার নানা উপসর্গের চিকিৎসায় রেনিটিডিন ওষুধ বিশ্বজুড়ে বহুল প্রচলিত। তবে এ ওষুধে সম্ভাব্য ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান পাওয়ার পর গত দুই মাস ধরেই আলোচনা চলছে।

এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর ভারতের সারাকা ল্যাবরেটরিজ ও মেসার্স ডা. রেড্ডির কাঁচামাল আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। পাশাপাশি বাংলাদেশে তৈরি সব ধরণের রেনিটিডিন ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রির ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল অধিদপ্তর। আর এবার দেশের বাজারে সব ধরনের রেনিটিডিন বিক্রির ওপরই নিষেধাজ্ঞা এল।

যুক্তরাষ্ট্র স্যান্ডোজের তৈরি রেনিটিডিন ক্যাপসুলের মধ্যে ‘এন-নিট্রোসডিমিথাইলামাইন (এনডিএমএ)’ এর উচ্চমাত্রার উপস্থিতি পাওয়ার পর গত সেপ্টেম্বরে ওই কোম্পানিও বাজার থেকে তাদের এই ওষুধ তুলে নেয়। পরে আরও কয়েকটি দেশ এ বিষয়ে সতর্কতা জারি করে বিভিন্ন কোম্পানির রেনিটিডিন ওষুধ বাজার থেকে তুলে নেয়।

মন্তব্য