৩০ জুনের মধ্যে লাইসেন্স নবায়ন

প্রজন্ম ডেস্ক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সব ধরনের পরিবহন চালকদের লাইসেন্স নবায়ন করতে হবে। এই সময় লাইসেন্সের ক্ষেত্রে নতুন আইন প্রয়োগ শিথিল থাকবে। এজন্য বিআরটিএকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার রাতে নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। তারা চালকদের লাইসেন্স নবায়ন, হাইওয়েতে আরো নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ কয়েকটি দাবি উত্থাপন করেন। এগুলো নিয়ে উভয়ের মধ্যে বিস্তারিত আলাপ আলোচনা হয়। আসে আইনের সীমাবদ্ধতার কথাও। তারই অংশ হিসেবে সারাদেশে হালকা, ভারী, মাঝারি যানবাহনের চালকরা যেসব লাইসেন্স ব্যবহার করছেন তার নবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে প্রত্যেক গাড়িচালককে তাদের লাইসেন্স নবায়ন করতে হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, বিআরটিএতে গিয়ে তারা যেন নির্বিঘ্নে লাইসেন্স নবায়ন করতে পারেন সেজন্য চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিআরটিএর যে লোক বল সংকট রয়েছে তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সংকট মোকাবেলায় লোকবল নিয়োগে সরকারের চিন্তায় রয়েছে। এছাড়া নতুন পরিবহন সড়ক আইন ২০১৮ এর সবগুলো ধারা প্রয়োগ করা হবে। এজন্য জনগণের সহযোগিতাও আশা করেন মন্ত্রী।

ব্রিফিংয়ে পরিবহন শ্রমিক নেতা ও সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, নতুন আইনের অনেকগুলো অসংগতি ছিল। এ কারণে শ্রমিকরা গাড়ি চালাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তবে স্বরাষ্টমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর আমরা অনেকগুলো বিষয়ে আশ্বস্ত হয়েছি। আশা করছি পরিবহন শ্রমিক ভাইদের রাস্তায় গাড়ি চালাতে তেমন কোন অসুবিধা হবে না। আমরা মানুষের নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করবো।

এর আগে শনিবার রাত সাড়ে আটটায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধানমন্ডির বাসায় এ বৈঠক শুরু হয়ে সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত চলে।

উল্লেখ্য, সরকার সম্প্রতি নতুন সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ পাস করে। আইনে ৫ লাখ টাকা  জরিমানা থেকে সর্বোচ্চ সাজা রাখা হয়। এরই প্রতিবাদ করে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে অঘোষিত ধর্মঘট শুরু হয় বাস-ট্রাক বা কাভার্ডভ্যান চলাচলে। আইনের ৯ টি ধারা পরিবর্তন করার দাবি জানিয়ে শ্রমিকরা ধমর্ঘটের ডাক দেন।

মন্তব্য