যৌথভাবে বিজয় উদযাপন করবে ঢাকা-কলকাতা

প্রজন্ম ডেস্ক

একাত্তরের প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধারা ঢাকা ও কলকাতায় একত্রিত হয়ে বিজয় (বিজয় দিবস) এবং তাদের চিরন্তন বন্ধন উদযাপন করবেন। বিনিময়মূলক সফরে দু’দেশ সফর করবেন বন্ধুপ্রতীম দেশ দুটোর বিভিন্ন পদস্থ কর্মকর্তা।

রোববার ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে জানানো হয়েছে, বিজয় দিবসে বাংলাদেশ ও ভারতের মুক্তিযোদ্ধাদের এই বিনিময়মূলক সফর ২০০৫ সালে শুরু হয়েছিল এবং বাংলাদেশ থেকে ৪০০ জনের বেশি মুক্তিযোদ্ধা এবং ১৭৫ জন ভারতীয় প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধারা কলকাতা ও ঢাকায় বিজয় দিবস উদযাপনে অংশ নেন।

চলতি বছর ৩০ জন মুক্তিযোদ্ধা এবং ছয়জন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধিদল তাদের সঙ্গীদের সাথে নিয়ে ভারত সরকারের আমন্ত্রণে ১৪ থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত কলকাতায় বিজয় দিবস উদযাপনে অংশ নেবেন।

প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য শাজাহান খান। প্রতিনিধিদলে রয়েছেন মধ্যে বেড়া পৌরসভার মেয়র, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজি, ডিআইজি, এসপি, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব, অন্যান্য ঊর্ধ্বতন  অবসরপ্রাপ্ত আমলা, বিশিষ্ট বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর বর্তমান কর্মকর্তারা।

প্রতিনিধিদলটি তাদের সম্মানে আয়োজিত বিভিন্ন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবে এবং ভারতীয় প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধাদের  সঙ্গে মতবিনিময় করবে। তারা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পৈতৃক নিবাস জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি এবং অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন করবেন।

একইভাবে, ২৭ জন ভারতীয় মুক্তিযোদ্ধা এবং চারজন সশস্ত্র বাহিনী কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধিদল তাদের সঙ্গীদের সাথে নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে ১৫ ডিসেম্বর ঢাকা পৌঁছাবে বিজয় দিবস উদযাপনে অংশ নিতে। সফরকালে তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন এবং রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী প্রধান এবং সশস্ত্র বাহিনী প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশের ওয়ার কোর্স ফাউন্ডেশন এবং ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত পৃথক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথেও সাক্ষাৎ করবেন।

প্রতিনিধিদল বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন এবং মুক্তিযুদ্ধের কিছু যুদ্ধক্ষেত্রও পরিদর্শন করবে।

মন্তব্য