নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের পাশে বলিউড

প্রজন্ম ডেস্ক

নতুন নাগরিকত্ব আইনের প্র’তিবা’দে অ’শা’ন্তির আবহ দেশের বিভিন্ন অংশে।

পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম ছাড়িয়ে বি’ক্ষো’ভের আঁ’চ পড়েছে দিল্লিতেও। রবিবার নাগরিকত্ব আইনের প্র’তিবা’দ করে দিল্লিতে পুলিশের রো’ষের মুখে পড়তে হয় জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের।

ক্যাম্পাসে ঢুকে শিক্ষার্থীদের মা’রধ’রের অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থীকে গ্রে’প্তা’রও করা হয়। জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ছাত্রদের উপর পুলিশি নি’র্যা’তনের প্র’তিবা’দে মাঝরাতেই পথে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীরা। মশাল, স্লো’গা’ন, পোস্টার আর গানে মুখরিত প্র’তিবা’দ।

কলকাতা, মুম্বাই, কোচি, হায়দরাবাদ, পাটনা, আলিগড়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একই ছবি। এবার প্র’তিবা’দী শিক্ষার্থীদের পাশে বলিউডের একাংশও।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন তাপসী পান্নু, অনুভব সিনহা, রিচা চাড্ডা, স্বরা ভাস্করের মতো অভিনেতা-অভিনেত্রীরা।

দিল্লি পুলিশের ভূমিকার স’মালো’চনা করে স্বরা ভাস্কর লিখেছেন, ‘জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর কাঁদনে গ্যাস ছো’ড়া হল। হিং’সার রো’মহ’র্ষ’ক এক উদাহরণ। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কেন অ’পরা’ধীদের মতো ব্যবহার করছে দিল্লি পুলিশ? ওদের কী হয়েছে?’ গোটা ঘটনাটিকে ‘ল’জ্জাজ’নক’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরা।

অনুভব সিনহা লিখেছেন, ‘এই প্রতিবাদ সা’ম্প্রদায়িক নয়, জাতীয়।… যখন কারওর কাছে কোনও উত্তর থাকে না, ছাত্রছাত্রীরা কাজটি হাতে তুলে নেয়। বিশ্বের ইতিহাস তার সাক্ষী।’

অভিনেত্রী সায়নী গুপ্তা তো সরাসরি বলিউডের কয়েকজনকে ট্যাগ করে এই ঘটনার বি’রু’দ্ধে সরব হওয়ার অনুরোধ করেছেন। টুইটারে তিনি আয়ুষ্মান খুরানা, রণবীর সিং, করণ জোহর ও রাজকুমার রাওকে ট্যাগ করে লিখেছেন, ‘কেউ তো আওয়াজ তোলো! এই নৃ’শং’সতা ও হিং’সার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে মেসেজ বা ট্যুইট করে জানাও।’

কঙ্কনা সেনশর্মা লিখেছেন, ‘আমরা ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে আছি।’ রিচা চাড্ডা, বিক্রান্ত মাসে, তাপসী পান্নু ও সোনি রাজদানের মতো অনেকে প্র’তিবা’দ জানিয়েছেন টুইটারে।

তবে এই পরিস্থিতির মধ্যে অক্ষয় কুমার ও শাহরুখ খানের মতো প্রথম সারির দুই অভিনেতা স’মালো’চনার মুখে পড়েছেন। সম্প্রতি অক্ষয় কুমার জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রছাত্রীর ভিডিও লাইক করে ফেলেন। পরে সেটি আনলাইক করে তিনি সাফাই দেন, ‘ভুল করে’ তিনি ভিডিওটি লাইক করে ফেলেছিলেন। তিনি একেবারেই এই হিং’সা’ত্মক ঘটনার সমর্থন করেন না।

অক্ষয়ের এই লাইক-আনলাইকের ঘটনা ভা’ইরা’ল হয়ে গিয়েছে নেটদুনিয়ায়। অন্যদিকে শাহরুখ খান নিজে জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। কিন্তু এই উ’ত্ত’প্ত প’রি’স্থি’তিতে তিনি চু’প। ফলে নেটিজেনদের এ’কাং’শের ক’টা’ক্ষের শি’কা’র হয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘যখন ছাত্রছাত্রীদের উপর অ’ত্যাচা’র চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ, তখন শাহরুখ কেন একটিও কথা বলছেন না? তার কি কোনও দায়িত্ব নেই?’

মন্তব্য