যশোরে ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবীঃ ভিক্টিম উদ্ধারসহ ৭ অপহরণকারী আটক

যশোরে ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবীঃ ভিক্টিম উদ্ধারসহ ৭ অপহরণকারী আটক

প্রজন্ম রিপোর্ট

যশোর শহরের পোষ্ট অফিস এলাকার একটি মেসে ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবী করার ঘটনায় যশোরের ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশ ভিক্টিমকে উদ্ধারসহ অপহরণ চক্রের ৭ সদস্যকে আটক করেছে।

আটককৃতরা হচ্ছে যশোর শহরের জেল রোড এলাকার জাহিদুল ইসলাম (৪৭), সদরের ফতেপুর এলাকার নয়ন (৩৯), শেখহাটি বাবলাতলা এলাকার রাব্বি হোসেন ওরফে সাদ্দাম (২৬), সার্কিট হাউজপাড়া এলাকার গোলাম রসুল (৩৬), পোস্ট অফিসপাড়া এলাকার শওকত হোসেন ওরফে আপন (৩০), ষষ্টীতলাপাড়ার মানিক মণ্ডল (৩১) এবং পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পিয়ারখালী এলাকার নূর ইসলাম ওরফে সনি (৩৪)।

গতকাল সোমবার দুপুরে যশোর ডিবি পুলিশের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদেরকে এসব তথ্য জানানো হয়। যশোর ডিবি পুলিশের এসআই মফিজুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, মোবাইল ফোনের পুরনো মালামাল বিক্রির কথা বলে গত ৪ জানুয়ারি সকালে কহিদুল ইসলাম (২৮) নামে এক ব্যবসায়ীকে মোবাইল ফোনে নয়ন ও নূর যশোরে ডেকে আনে। ব্যবসায়ী কহিদুল ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার কাগমারী এলাকার বাসিন্দা।

তিনি যশোরে পৌঁছুলে তার পূর্ব পরিচিত নয়ন ও নূর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত যশোর শহরের মাইকপট্টি এলাকার পোষ্ট অফিস সংলগ্ন একটি মেসে আটকে মারপিট করে। পরে কহিদুলের বড়ভাই রাশিদুল ইসলামের কাছে তারা মুক্তিপণ বাবদ ৫ লাখ টাকা দাবি করে।

তিনি জানান, রাশিদুলের মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনিসহ সঙ্গীয় ফোর্স ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে অত্র মেস এলাকায় অভিযান চালান। ওই সময় তারা কহিদুলকে উদ্ধার এবং মুক্তিপণ দাবিকারী দুজনকে আটক করেন।

পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অপর পাঁচ মুক্তিপণ দাবীকারীদেরকে আটক এবং তাদের কাছ থেকে নগদ সাড়ে ১৮ হাজার টাকা, ৩ টি ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, একটি ব্যাংক চেক, মাদকদ্রব্য ও তা সেবনের সরঞ্জাম এবং বেশকিছু পুরনো মোবাইল ফোনের মাদরবোর্ড, সার্কিট জব্দ করা হয়।

রাশিদুল ইসলামে দায়ের করা এজাহার মামলা হিসেবে নথিভূক্ত করেন। আসামীদের আদালতে সোপর্দ করলে কয়েকজন আসামী আদালতে স্বীকারোক্তি মোতাবেক জবানবন্দী প্রদান করেন।

মন্তব্য