৪০ বছর পর নির্মিত হচ্ছে ‘ঘুড্ডি’র সিক্যুয়েল, নাম ‘ক্রান্তিকাল’

প্রজন্ম ডেস্ক

১৯৮০ সালে মুক্তি পায় সুবর্ণা মুস্তাফা ও রাইসুল ইসলাম আসাদের ‘ঘুড্ডি’। এই ছবিটিকে বাংলাদেশের অন্যতম নির্মাণ বলেই বিবেচেনা করেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা। এটি নির্মাণ করেছেন সৈয়দ সালাহউদ্দীন জাকি।

চল্লিশ বছর পর সৈয়দ সালাহউদ্দীন জাকী তার ক্লাসিক সিনেমাটির সিক্যুয়েল নির্মাণ করতে যাচ্ছেন। প্রাথমিকভাবে তিনি এর নাম রেখেছেন ‘ক্রান্তিকাল’। এটি প্রযোজনা করছেন জসীম আহমেদ।

১৩ জানুয়ারি রাতে, পুরো বিষয়টি নিয়ে ঘরোয়া আলাপের জন্য প্রযোজক ও নির্মাতা মিডিয়ার সামনে বসেছেন রাজধানীর ঢাকা ক্লাবের বেঙ্গল লাউঞ্জে। সেখানে প্রযোজক ও নির্মাতাদ্বয় পাশাপাশি বসে জানালেন ‘ঘুড্ডি’র সিক্যুয়েল নির্মাণ বিষয়ে।

ছবিটির প্রাথমিক নাম রাখা হয়েছে ‘ক্রান্তিকাল’। ‘ঘুড্ডি’র শেষ থেকেই এর গল্পটা শুরু হবে।

সৈয়দ সালাহউদ্দীন জাকী বলেন, জসীম আর আমি ‘বোবামাটি’ নামে একটি সিনেমা নিয়ে কাজ করছিলাম। ওইটার স্ক্রিপ্টও রেডি করেছি আমরা। কিন্তু এরই মধ্যে ‘ক্রান্তিকাল’র কথা আসে। তাই আগে এটা শুরু করছি।

সিনেমাটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘ক্রান্তিকাল’ হতে যাচ্ছে আমাদের খুঁজে বেড়ানো একটি অধ্যায়ের চিত্রায়িত বিন্যাস। আমাদের মূল চরিত্রের নাম ঋষি। যে সহজ, সরল কিন্তু প্রত্যয়ী। এ চরিত্রের জন্য সাম্প্রতিক সময়ের সন্ধানী মানসিকতার যোদ্ধা খুঁজছি। পেয়ে যাব, ভাণ্ডার উজ্জ্বল! নায়িকা নতুন এবং মাইম বা নৃত্যপটু হলে ভালো হয়। সংগীতে হ্যাপিকে বা লাকিকে সরাসরি না পেলেও সুরে পাব, তারা হারাবেন না! গান আমার সিনেমার প্রাণ।

প্রযোজক জসীম বলেন, একজন চিত্রনির্মাতা তার সময়ের কথা বলবেন। সময়ের উপর তার ক্ষোভ থাকলে সেটাই সিনেমায় প্রকাশ করবেন। ‘ঘুড্ডি’র আসাদ তখন তার পরিচয় যেভাবে খুঁজছিলেন, এখনো প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাদের পরিচয় খুঁজে বেড়াচ্ছে। এটাই একটা ‘ক্রান্তিকাল’।

নির্মাতা আরও জানান, ‘ঘুড্ডি’র গল্প যেখানে শেষ হয়েছিল, সেখান থেকেই শুরু হবে ‘ক্রান্তিকাল’। কয়েক মাসের মধ্যে সিনেমাটি শুটিং ফ্লোরে যাওয়ার কথা রয়েছে।

প্রযোজক জসীম আহমেদ জানান, ছবিটির শুটিং শুরু করবেন ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে। এরমধ্যেই গুছিয়ে নেবেন শিল্পী-কুশলীদের।

মন্তব্য